শিরোনাম:
ভোলা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯

Bholabani
শুক্রবার ● ২০ মে ২০২২
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » সাগরে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় বেকার ভোলার ৬৩ হাজার সমুদ্রগামী জেলে
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » সাগরে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় বেকার ভোলার ৬৩ হাজার সমুদ্রগামী জেলে
৮১ বার পঠিত
শুক্রবার ● ২০ মে ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

সাগরে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় বেকার ভোলার ৬৩ হাজার সমুদ্রগামী জেলে

স্টাফ  রিপোর্টার।। ভোলাবাণী।।গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মৎস্য অধিদপ্তর এবং মৎস্য ও প্রাণসিম্পদ মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সামৃদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য প্রতি বছর ২০ মে হতে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোনো প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।এতে আরো বলা হয়, সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এর ধারা ৩ এর উপধারা ২ বলে জারিকৃত এ নিষেধাজ্ঞা সকল মৎস্য নৌযানকে প্রতিপালনের জন্য অনুরোধ করা হল। এর ব্যত্যয় ঘটলে সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এতে সাগরে মাছ ধরতে পারবেন না ভোলার ৬৩ হাজার জেলে।

উপকূলীয় মৎস্য আড়তে সমুদ্রগামী জেলেরা জাল, ট্রলার ও ফিশিংবোর্ট নিয়ে সাগর থেকে নিজ নিজ ঘাটে ফিরতে শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) রাত ১২টার পর থেকে আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত সাগরে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। একবার বন্ধের ১৯ দিন পর ফের আরেকবার মাছ ধরা বন্ধ হওয়ায় বেকার হয়ে পড়ছেন ভোলার এসব জেলেরা।তবে মেঘনা-তেতুঁলিয়ার জেলেরা মাছ শিকার করতে পারলেও যেতে পারবেন না সাগরে। নিষেধাজ্ঞার চিন্তায় পরিবার-পরিজন নিয়ে কিভাবে দিন কাটাবেন তা ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।

এদিকে উপকূলীয় মৎস্য আড়তে দেখা গেছে, সমুদ্রগামী জেলেরা জাল, ট্রলার ও ফিশিংবোর্ট নিয়ে সাগর থেকে নিজ নিজ ঘাটে ফিরতে শুরু করেছেন।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সাম্রাজ ঘাট এলাকার জেলে হোসেন মাঝি বলেন, আমরা সাগরে মাছ ধরি।কিন্তু ৬৫ দিনের জন্য মাছ ধরা বন্ধ থাকায় আমরা বেকার হয়ে পড়বো। ধার-দেনা করে দিন কাটাতে হবে।

সুলতান মাঝি ও আনোয়ার মাঝি বলেন, মাছ ধরা বন্ধ তাই সাগরে যেতে পারব না। আয়-ইনকাম কমে যাবে। পরিবারের সদস্যদদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। সরকার থেকে আর কিছু বেশি সহযোগীতা পেলে আমাদের সংকট দূর হতো।

জেলেরা জানান, একবার সাগরে গেলে তারা ফেরেন পাঁচ থেকে ১৫ দিন পর। আর এ সময়ে ধরা মাছগুলো বিক্রি করে পান তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা। এখন মাছ ধরা বন্ধে পুরোপুরি বেকার হয়ে পড়ছেন তারা।

তারা বলেন, শুধু সাগরেই মাছ ধরেন আর এর ওপরেই তাদের জীবন-জীবিকা নির্ভর করে। মাছ ধরা বন্ধ থাকলে তাদের আয়ও বন্ধ হয়ে যায়। তাই নিষেধাজ্ঞাকালে তাদের জন্য বরাদ্দ যেন আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয় দাবি তাদের।

সুত্র থেকে জানা গেছে, জেলায় সমুদ্রে মাছ শিকার করে জীবিকা বির্বাহ করা জেলের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। এদের মধ্যে সদরে ৩ হাজার ৬৯৮ জন, বোরহানউদ্দিনে ৭ হাজার ৬৫০, দৌলতখানে ১১ হাজার ৫৫০, লালমোজনে ৮ হাজার ৮০৪, তজুমদ্দিনে ৪ হাজার ৫০৬, চরফ্যাশন উপজেলায় ১৭ হাজার ৫৬১ ও মনপুরা উপজেলায় ১০ হাজার ১৮৫ জন রয়েছেন।

জেলে মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজহারুল ইসলাম জানান, নিষেধাজ্ঞা সময়ে জেলেদের জন্য ৮৬ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। সাগরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে এমন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন ৬৩ হাজার ৯৫৪ জন। তাদের সবাই চাল পাবে।

তাদের জন্য চাল বরাদ্দ হয়ে গেছে। খুব শিঘ্রই তা বিতরন শুরু হবে বলেও জানান তিনি।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
আবার এসেছে আষাঢ়
লালমোহনে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে অব্যহতি
ভোলায় চাঞ্চল্যকর পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেফতার
মনপুরায় বিআইডব্লিটিসি ও বিআইডব্লিটিএর কর্মকর্তাদের ফেরিঘাট পরিদর্শন ও সুধি সমাবেশ
কুকরী-মুকরী জেলের জালে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির কচ্ছপ-ডলফিন
ভোলায় একজন বাকপ্রতিবন্ধী ঠিকানাহীন মেয়ে খুঁজে পেলো স্থায়ী নিরাপদ আশ্রয়স্থল।
দেশব্যাপী ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু
এনজিওতে চাকরির সুযোগ
বাংলাদেশের উপকূলেই আসবে অশনি!
লালমোহনে জেলেদের জালে ধরা পড়লো রাজা ইলিশ