শিরোনাম:
ভোলা, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮

Bholabani
শনিবার ● ২১ আগস্ট ২০২১
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » পোলট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে ভোলার খামারিরা
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » পোলট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে ভোলার খামারিরা
১০১ বার পঠিত
শনিবার ● ২১ আগস্ট ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পোলট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে ভোলার খামারিরা

স্ট্যাফ রির্পোটার।।ভোলাবাণী।।



পোলট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে ভোলার খামারিরা। দেশের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে উৎপাদন ঘাটতি পোলট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে ভোলার খামারিরাআর পরিবহন সংকটের অজুহাতে পোলট্রি খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে। আর এর ফলে চরম বিপাকে পড়েছে ভোলার স্থানীয় পোল্ট্রি খামারিরা।

বিগত কয়েক মাসে লোকসানে বোঝা টানতে না পেরে বন্ধ হয়েছে অসংখ্য পোল্ট্রি খামার। এ শিল্পে দেখা দিয়েছে বিপর্যয়। লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে এখনও কিছু খামার সচল রয়েছে। তবে এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারের কাছে প্রণোদনার দাবি করছেন খামারিরা।


ভোলা সদর উপজেলা  পোলট্রি খামারি এসোসিয়েশন এর সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাদের বিপ্লব বলেন, এ জেলায় ছোট বড় সব মিলিয়ে মোট ১০ হাজারেও অধিক পোলট্রি খামার আছে। এসব খামারে ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগি পালন করা হয়। দেশের করোনা ভাইরাসের কারণে মন্দা থাকায় প্রায় ৫ হাজারের অধিক খামার বন্ধ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় পোল্ট্রি খামারগুলোকে টিকিয়ে রাখতে সরকারীভাবে খামারিদের সহযোগিতা এবং পোল্ট্রি খাদ্য মূল্য কমানো জরুরী প্রয়োজন।


ভোলার আলীনগর ইউনিয়নের পোলট্রি খামারি রাকিবুল হাসান বলেন, আমার খামারে ২০০০ লেয়ার মুরগি পালন করছি। আগে এক বস্তা মুরগির খাদ্যের দাম ছিল ১৯০০ টাকা। আর এখন সেই খাদ্যের বস্তার দাম বেড়ে হয়েছে ২২০০ টাকা। আর খামারের উৎপাদিত ১০০ ডিম বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকা করে। ডিমের দাম কম হওয়ায় বেশ দুশ্চিন্তায় আছি।


চরসামাইয়া ইউনিয়নের আরেক পোলট্রি খামারি মোঃ রুবেল জানান, বাজারে মুরগির দাম কমে গেছে আর অন্যদিকে মুরগির উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা দরে। আর প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির উৎপাদন ব্যয় হচ্ছে ১২০টাকারও বেশি।

ব্রয়ালার খাবারের আগে দাম ছিলো ২২০০টাকা বতমানে দাম বিদি পয়ে ২৬০০টাকা আমাদের এলাকায় লোকসানের কারণে অনেক খামারি তাদের খামার বাধ্য হয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন।


ভোলা জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল বলেন, দেশের অন্যান্য জেলার চেয়ে এ জেলায় বিপুল সংখ্যক খামারি রয়েছেন। সে অনুযায়ী এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারী বিশেষ সহায়তার প্রয়োজন। আমরা খামারিদের কথা বিবেচনা করে সরকারীভাবে খামারিদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
অনিবন্ধিত ৫৯ আইপি টেলিভিশন বন্ধ
হুবহু যেন ইলিশ, বহু মানুষ ঠকছেন চন্দনা মাছ কিনে!
বরিশাল-ভোলা=ইলিশা টু মজুচৌধুরী লঞ্চ সার্ভিসের সময়সুচি
মনপুরায় ১০ ফুট লম্বা বিরল প্রজাতির চিচিঙ্গা চাষে কলেজ শিক্ষকের সফলতা
ভোলার প্রান্তিক খামারিরা সরকারের বিনামুল্যে ক্ষুরারোগের ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত
সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার-ম্যাডাম’ বলার নীতি নেই - জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
ভোলায় ১০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ভোলা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন
ভোলা সদর হাসপাতালে ৪ দালাল আটক।। ১৫ দিনের কারাদন্ড
তীব্র নদী ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে ভোলা