শিরোনাম:
ভোলা, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮

Bholabani
রবিবার ● ১৫ আগস্ট ২০২১
প্রথম পাতা » দৌলতখান » জাতীয় শোক দিবসে এতিমদের পাশে এমপি মুকুল
প্রথম পাতা » দৌলতখান » জাতীয় শোক দিবসে এতিমদের পাশে এমপি মুকুল
৭২ বার পঠিত
রবিবার ● ১৫ আগস্ট ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

জাতীয় শোক দিবসে এতিমদের পাশে এমপি মুকুল

এম এ আশরাফ।।ভোলাবাণী।।দৌলতখান প্রতিনিধিঃ ভোলার দৌলতখান উপজেলায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস বিভিন্ন আয়োজনে পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে রবিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে কালো পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়।

জাতীয় শোক দিবসে এতিমদের পাশে এমপি মুকুল

আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত করার পাশাপাশি কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়।
রবিবার (১৫ আগষ্ট) সকালে দৌলতখান উপজেলার প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শোক র‍্যালী ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে উপজেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রতিযোগিতাদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরন করা হয়।বিকেল ৪টার সময় ১৫ আগষ্টে ঘাতকের বুলেটের আঘাতে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার জাতির জনক ও তাহার পরিবারের সকল সদস্যদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দৌলতখান চরশুভী মাদ্রাসার ময়দানে দোয়া মোনাজাত ও এতিম ছাত্রদের মাঝে খাবার বিতরন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব আলী আজম মুকুল এমপি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুর আলম খান, পৌর মেয়র জাকির হোসেন তালুকদার, উপজেলা আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান টিপু, দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান, এসিল্যান্ড মহুয়া আফরোজ সহ আওয়ামিলীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
সভাপতিত্ব করেন দৌলতখান উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব তারেক হাওলাদার।

এসময় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে মানবতার শত্রু প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সহ পরিবারে হত্যা করা হয়। এই দিনে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।
পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নীপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি ও সুকান্তবাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। সেসময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা (বর্তমানে রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী) শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় তারা প্রাণে রক্ষা পান।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
অনিবন্ধিত ৫৯ আইপি টেলিভিশন বন্ধ
হুবহু যেন ইলিশ, বহু মানুষ ঠকছেন চন্দনা মাছ কিনে!
বরিশাল-ভোলা=ইলিশা টু মজুচৌধুরী লঞ্চ সার্ভিসের সময়সুচি
মনপুরায় ১০ ফুট লম্বা বিরল প্রজাতির চিচিঙ্গা চাষে কলেজ শিক্ষকের সফলতা
ভোলার প্রান্তিক খামারিরা সরকারের বিনামুল্যে ক্ষুরারোগের ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত
সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার-ম্যাডাম’ বলার নীতি নেই - জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
ভোলায় ১০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ভোলা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন
ভোলা সদর হাসপাতালে ৪ দালাল আটক।। ১৫ দিনের কারাদন্ড
তীব্র নদী ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে ভোলা