শিরোনাম:
ভোলা, সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

Bholabani
বুধবার ● ৯ জুন ২০২১
প্রথম পাতা » দৌলতখান » প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা
প্রথম পাতা » দৌলতখান » প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা
৪২ বার পঠিত
বুধবার ● ৯ জুন ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

দৌলতখান প্রতিদিন।।ভোলাবাণী।।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

ভোলার দৌলতখানের ৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ শিক্ষার্থীর ২০২০ সালের (জুলাই-ডিসেম্বর) ৬ মাসের উপবৃত্তির ৩৭ হাজার ৮০০ টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টার প্রমাণ মিলেছে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মার্কেটে পরিচালিত ইন্টারনেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অর্না নেটের বিরুদ্ধে।জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির মালিক উপজেলাধীন হাজিপুর এসএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন মিঠু। ওই প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার অপারেটর মো: ছাব্বির হোসেন নিজের ও তার মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও মোবাইল নাম্বার শিক্ষার্থীদের নামের বিপরীতে বসিয়ে দিয়ে নিজেদের মোবাইলে টাকা পেতে এ অপচেষ্টা চালান। আর এ কাজটি সম্পাদন করেছেন ওই ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা এন্ট্রি করার সময়। বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে- দৌলতখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম রাম রতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুকদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিদারুল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর পদ্মা রেজি: প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বামনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ২০২১ সালের উপবৃত্তির কাজ করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে।

জালিয়াতির শিকার বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের অভিযোগ, অর্না নেটের মালিক শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন ছাড়া বিদ্যালয়গুলোর পাসওয়ার্ড, ইএমআইএস কোড অন্য কারও জানা থাকার কথা নয়। ৪২ জন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে ছাব্বির ও তার মা ছায়েরা খাতুনের মোবাইল নাম্বার যথাক্রমে- ০১৫৮০৭২৩১০৯, ০১৬০৯৫৪৭৪১৬ এবং তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যুক্ত হলো কিভাবে এমন প্রশ্নের জবাবে ছাব্বির বলেন, আমাকে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু স্যার মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছেন। আমাকে ফাঁসাতে তিনিই এ কাজ করেছেন।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু বলেন, ছাব্বির অন্যত্র কাজ করবে বলে স্বেচ্ছায় আমার প্রতিষ্ঠানের কাজ ছেড়ে দিয়েছে। সে-ই এ কাজ করেছে। তাকে মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: হোসেন বলেন, ঘটনা সম্পর্কে শিক্ষকরা তাকে অবহিত করেছেন। বিষয়টি সংশোধনের চেষ্টা চলছে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
ভিক্ষা নয়, কাজ করে খেতে চায় রোকসানা ॥ বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা
ভোলায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
স্রোতধারা সৃজন শক্তি’র ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত
ইতিহাসের দৃষ্টিনন্দন সাক্ষী ভোলার আব্দুল জব্বার মিয়া বাড়ি
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে-শিক্ষা বোর্ড
করোনাকালীন সময়ে জনপ্রতিনিধিরা নেই তৃনমুল পর্যায়ের সাধারণ জনগণের পাশে
লালমোহনে কিশোরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম
মোহামেডানের হয়ে খেলতে চান সাকিব আল হাসান
ভোলাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভোলাবাণী সম্পাদক খলিল উদ্দিন ফরিদ