শিরোনাম:
ভোলা, মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮

Bholabani
বুধবার ● ৭ এপ্রিল ২০২১
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ » ২ মাস নিষেধাজ্ঞা, জাল বুনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ » ২ মাস নিষেধাজ্ঞা, জাল বুনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা
৭২ বার পঠিত
বুধবার ● ৭ এপ্রিল ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

২ মাস নিষেধাজ্ঞা, জাল বুনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা

নিজস্ব প্রতিনিধি।।ভোলাবাণী।।

---

একদিকে লকডাউন অন্য দিকে মার্চ ও এপ্রিল এই দুই মাস ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে জাল বুনে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপকূলীয় অঞ্চল দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার জেলেরা। জেলেপল্লীগুলোতে এখন যেন জাল বুনার ধুম পড়েছে। ঘাট-সংলগ্ন সুবিধাজনক জায়গায় দলবেঁধে পুরাতন জাল মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।এই উপজেলার বিভিন্ন ঘাটের দুই পাশে শত শত ট্রলার নোঙ্গর করে রেখেছেন। দলবেঁধে মনের আনন্দে জাল মেরামতের কাজ করছেন অধিকাংশ জেলে। উপকূলজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মাছঘাট এবং ফাঁকা যায়গায় জেলেদের এভাবে জাল মেরামতের কাজ করতে সরেজমিনে দেখা গেছে।
আহাম্মদপুর ইউনিয়ন সুকনাখালী ঘাটের জেলে মোঃ বাবুল গাজি বার্তা বাজারকে জানান, জেলেদের জন্য সরকারের দেওয়া কোনা সুবিধাই মেলেনি। তার অভিযোগ গত বছর স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আঃ মান্নান তার কাছ থেকে দেড় হাজার টাকা নিয়েছে তবুও তার জেলে কার্ডটি হয়নি। তাই সাগরে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে জাল বুনে কিছু টাকা আয় করে সংসার চালাচ্ছি।
ওই ঘাটের জেলে ইকবাল হোসেন জানান, ইউপি সদস্য আঃ মান্নান তার কাছ থেকে এক হাজার টাকা নিয়েছে তবুও তার জেলে কার্ডটি হয়নি। অথচ তাদের সাথে নিবন্ধন করা অন্যান্য জেলেরা জেলে কার্ড পেয়েছে। তারপরও নিষিদ্ধ সময়ে বসে না থেকে পুরাতন জাল বুনে এই ব্যস্ত সময় পার করছেন।

---

জেলে হারুন জানান, নিষেধাজ্ঞার সময়ে সাগড়ে যাওয়া হয়না তাই জাল মেরামতের মধ্যে দিয়ে অবসর সময় পার করছি। জাল বুনে যে টাকা আসে তা দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই সমিতি থেকে লোন নিয়ে সংসার চালাচ্ছি।
অধিকাংশ জেলেদের অভিযোগ, সরকারের দেওয়া কোন সুবিধা মেলেনি তাদের কপালে। বরাদ্দের সিংহভাগই স্থানীয় ইউপি সদস্য, প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা লুটেপাটে খায়। তাই তারা সাগড়ে ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
চরফ্যাসন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মারুফ হোসেন মিনার বার্তা বাজারকে জানান, চরফ্যাসন উপজেলায় ৪০ হাজার ২৪৬ জন নিবন্ধীত জেলে রয়েছে। তার মধ্যে এই দুই মাস নিষিদ্ধ সময়ে ৪ কেজি করে ১৯ হাজার ৩৩জন জেলের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে। চরফ্যাসনে জেলেদের সংখ্যানুপাতে সীমিত পরিমাণ বরাদ্দের ফলে বঞ্চিত অনেক জেলে। মাছ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে উপজেলার সব জেলেদের একসঙ্গে চালের সুবিধা দেওয়া যাচ্ছে না। তাই জেলেরা সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। পর্যায়ক্রমে সকল জেলেকে অবরোধ চালাকালীন সময়ে চালের সুবিধা প্রদানের চেষ্টা করা হচ্ছে।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ১০০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা উপবৃত্তি দেয়ার সুপারিশ
বেঁচে থাকার সব খোরাক মিলে নদী থেকে!
ওজনে কম দিতে ভারী ঠোঙা ব্যবহার! ছয় ব্যবসায়ীকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা
ভোলায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদে ৫ জনের সরকারি চাকুরী
লালমোহনে একসাথে মা-মেয়ের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
চরফ্যাসন সাংবাদিক কল্যাণ তহবিলের ৪ নতুন মুখ
ভোলায় বিবা’র উদ্যোগে ২ শতাধিক মানুষের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বিতরণ
ভোলায় ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী
একজন আলোকিত মানুষ মুহাম্মদ শওকাত হোসেন
২ মাস নিষেধাজ্ঞা, জাল বুনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা