শিরোনাম:
ভোলা, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১ আশ্বিন ১৪২৯

Bholabani
বৃহস্পতিবার ● ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » ভোলায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত।
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » ভোলায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত।
৪০ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার ● ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ভোলায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

সাব্বির আলম বাবু।।ভোলাবাণী।।বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ভোলা সদর উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘‘জলবায়ু পরিবর্তন জনিত উদ্বাস্তুদের জন্য চাই অধিকার ভিত্তিক সুরক্ষা নীতিমালা ও স্থানীয় ব্যবস্থাপনা জরুরী” শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা জলবায়ু বাস্তুচ্যুত সমস্যা মোকাবেলায় সরকারের কাছে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন তারমধ্যে, স্থানীয় বাস্তুচ্যুতির প্রকৃত ঝুঁকি নিরূপণ করা এবং অঞ্চলভিত্তিক গবেষণার ভিত্তিতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী অভিযোজন কর্মসূচী প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা, বাস্তুচ্যুতদের চিহ্নিত করে ডাটাবেইজ তৈরি করা এবং তাদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টেকসই পুনর্বাসন কর্মসূচী গ্রহণ করা, জলবায়ু অভিঘাত মোকাবেলায় টেকসই উপকূলীয় সুরক্ষা অবকাঠামো [বেরিবাধ] নির্মান করা প্রভৃতি।

ভোলায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত।সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ভোলা সদর, এছারাও উপস্থিত ছিলেন জনাব মো: রিয়াজ উদ্দিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, জনাব মো: মশিউর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, সহ ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত জলবায়ু বাস্তুচ্যুত মানুষ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে বক্তারা বলেন, নদী ভাঙনের কারনে ভোলায় বাস্তুচ্যুতির সংখ্যা আশংকা জনকভাবে বাড়ছে, এখন থেকে যথেষ্ট প্রস্তুতি না নিলে সামনে তা ভয়াবহ রুপ ধারন করবে। গত ৫৩ বছরে ভোলার আয়তন অর্ধেকে নেমে এসেছে। ১৯৬০ সালে ৬ হাজার ৪০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের ভোলা ক্রমাগত নদী ভাঙ্গনের ফলে এর আয়তন বর্তমানে মাত্র ৩ হাজার ৪০০ কিলোমিটার। গত ১০ বছরে ভোলা সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানের প্রায় ৮-১০কি:মি: এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে এবং উদ্বাস্ত্ত হয়েছে হাজার হাজার পরিবার। নিরুপায় হয়ে তারা শহরমূখী হচ্ছে এবং বস্তিতে আশ্রয় গ্রহণ করে মানবেতর জীবন যাপন করছে, সরকার কিছু কিছু আশ্রায়ন প্রকল্প করলেও জীবনধারনের তাগিদ তাদের শহরমূখী হতে বাধ্য করছে, তাই স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করার প্রতি তারা গুরুত্বারোপ করেন। তারা আরও বলেন জলবায়ু বাস্তুচ্যুতদের সঠিকভাবে চিহ্নিতকরার আলাদা কোন ডাটা বেইজ বা পরিসংখ্যান সরকারের নেই এটা দু:খজনক, এ ব্যপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পর্যায়ের যেমন:  ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমে বাস্তুচ্যুতির উপরে মাঠ পর্যায়ের উপাত্ত সংগ্রহ এবং হালনাগাদ করা যেতে পারে, আশ্রায়ন প্রকল্প সমূহ এমন জায়গায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বিশেষ করে চরাঞ্চলে, সেখানে বাস্তুচ্যুত মানুষেরা নানাবিধ মানবাধিকার সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা বিবেচনা করে টেকসই পূণর্বাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরী।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
চরফ্যাশনে দেশী হাঁসের কালো ডিম নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যে
যে কোন সংকটে মানবসেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েন শাহপরান জয়
যৌনতায় সুখ পেলই বিয়ে হয় যেখানে
তজুমদ্দিনে টেকশই বেড়িবাঁধ নির্মাণ,অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানি।
ঘাটে ভিড়ছে না লঞ্চ, ভোগান্তিতে তজুমদ্দিনের ব্যবসায়ী ও লক্ষাধিক মানুষ।
ভোলায় শ্বশুর বাড়িতে স্বামীর উপর স্ত্রী পক্ষের হামলায় আহত-৩
ঈদের রেসিপি: মচমচে ভুঁড়ি ভুনা
গরুর মাংস ফ্রিজ ছাড়া যেভাবে সংরক্ষণ করবেন
বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম
আবার এসেছে আষাঢ়