শিরোনাম:
ভোলা, শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২ আশ্বিন ১৪২৮

Bholabani
শুক্রবার ● ১৩ আগস্ট ২০২১
প্রথম পাতা » তজুমদ্দিন » তজুমদ্দিনের মেঘনায় ইলিশের আকাল, মহাজনের দাদনে দিশেহারা জেলেরা
প্রথম পাতা » তজুমদ্দিন » তজুমদ্দিনের মেঘনায় ইলিশের আকাল, মহাজনের দাদনে দিশেহারা জেলেরা
৫৬ বার পঠিত
শুক্রবার ● ১৩ আগস্ট ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

তজুমদ্দিনের মেঘনায় ইলিশের আকাল, মহাজনের দাদনে দিশেহারা জেলেরা

হেলাল উদ্দিন লিটন।।ভোলাবাণী।।তজুমদ্দিন প্রতিনিধি

ভোলার মেঘনায় ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও চলছে ইলিশের আকাল। মৌসুমের তিন মাস শেষ হলেও কাংখিত ইলিশ মাছ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছে জেলেরা। যে কারণে অনেক জেলে মহাজনের দাদন ও এনজিও’র ঋণের কিস্তির ভয়ে নিজ এলাকা ত্যাগ করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

তজুমদ্দিনের মেঘনায় ইলিশের আকাল, মহাজনের দাদনে দিশেহারা জেলেরা

উপজেলা মৎস্য অফিস সুত্রে জানা যায়, মেঘনা নদীর ৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশ শিকার করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করেন উপজেলার প্রায় ২০ হাজার জেলে। বছরের এপ্রিল মাস থেকে পূরোদমে ইলিশের মৌসুম শুরু হওয়ায় অনেক জেলে মহাজনের দাদন ও এনজিওর কাছে ঋণ নিয়ে নতুন নৌকা এবং জাল কিনে নদী ইলিশ মাছ ধরার পূর্ণ প্রস্তুতি নদীতে নামে।কিন্তু জেলেরা দলবেঁধে মাছ ধরতে নদীতে গিয়ে দিন-রাত জাল ফেলে মাত্র ৫থেকে ১০টি ইলিশ নিয়ে হতাশ হয়ে ঘরে ফিরতে হয়। এই মাছ বিক্রি করে এনজিওর ঋণ ও মহাজনের দাদনের টাকা পরিশোধতো দূরের কথা নদীতে যেতে ইঞ্জিনের জন্য ক্রয় করা ডিজেলের দামও হয় না। যে কারণে দোকান থেকে চাল, ডাল, মরিচ ও তেল কিনে টাকা দিতে না পারায় দোকানদারও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামল দিচ্ছে না।

শশীগঞ্জ স্লুইজঘাট এলাকার জেলে কবির মাঝি, ভূট্টো মাঝি, জাহাঙ্গীর মাঝিসহ অনেকে জানান, নদীতে মাছ নাই। দিন-রাত জাল ফেলে ৫-১০ টা মাছ পাই তা বিক্রি করে যে টাকা হয় তাতে ডিজেলের দাম হয় না। তারপরও পোলাপাইন নিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চলে। ইলিশের সৃজণ যতই শেষ হয়ে আসছে চিন্তা ততই বাড়ছে কারণ নদীতে মাছ না থাকায় পোলাপাইন ও পরিবারের জন্য কিছুই করতে পারছিনা এটা অনেক কষ্টের।

মৎস্য আড়ৎদার জাহাঙ্গীর বলেন, দৈনিক এক থেকে দেড় হাজার টাকার বাজার নিয়ে জেলেরা নদীতে মাছ ধরতে যায়। রাত দিন জাল ফেলে মাছ পায় পাঁচ থেকে দশটি তা বিক্রি করে যে টাকা পায় তাতে দোকানের মালামালের টাকা দিলে আর জেলেদের তেমন একটা টাকা থাকে না। যে কারণে জেলেরা পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

শশীগঞ্জ ঘাটের মৎস্য আড়ৎদার সমিতির সভাপতি আবুল হাসেম মহাজন বলেন, সৃজণের তিনমাস চলে গেলেও যে আশায় আমরা জেলেদেরকে দাদন দিয়েছি নদী গিয়ে জেলেরা সে অনুযায়ী মাছ পাচ্ছে না। যে কারণে উপজেলার প্রায় দুইশত মৎস্য আড়ৎদার এক রকমের মানবেতর জীবন-যাপন করছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমির হোসেন (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে নদীতে তেমন মাছ ধরা পড়ছে না। ইলিশ হলো গভীর পানির মাছ তাই দিন দিন নদীর গভীরতা কমে যাওয়ায় ভরা মৌসুমেও মেঘনায় ইলিশের আকাল চলছে। ঝড়বৃষ্টি হলে মাছে বাড়তে পারে বলেও আশা তার।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
বরিশাল-ভোলা=ইলিশা টু মজুচৌধুরী লঞ্চ সার্ভিসের সময়সুচি
মনপুরায় ১০ ফুট লম্বা বিরল প্রজাতির চিচিঙ্গা চাষে কলেজ শিক্ষকের সফলতা
ভোলার প্রান্তিক খামারিরা সরকারের বিনামুল্যে ক্ষুরারোগের ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত
সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার-ম্যাডাম’ বলার নীতি নেই - জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
ভোলায় ১০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ভোলা টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন
ভোলা সদর হাসপাতালে ৪ দালাল আটক।। ১৫ দিনের কারাদন্ড
তীব্র নদী ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে ভোলা
তজুমদ্দিনে ৩০০ পিচ ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক।
চরফ্যাশনে জাল টাকাসহ আটক ২
গণটিকায় কারা অগ্রাধিকার পাবেন!