শিরোনাম:
ভোলা, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮

Bholabani
সোমবার ● ২৯ মার্চ ২০২১
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » বদলে যাওয়া এক বাংলাদেশ
প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » বদলে যাওয়া এক বাংলাদেশ
৪০ বার পঠিত
সোমবার ● ২৯ মার্চ ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বদলে যাওয়া এক বাংলাদেশ

ভোলাবাণী সম্পাদকীয়ঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে প্রদত্ত কালজয়ী ৭ই মার্চের ভাষণ এখনও মানুষকে সঠিক দিক-নির্দেশনা দিচ্ছে। মুক্তির মহানমানব, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরি, মানবতার জননী, বাংলার নবজাগরণের নেতা, বিশ্বশক্তির অগ্রদূত, বিশ্বের সেরা প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বের সেরা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা পিতা মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে কঠিন সংগ্রামে লিপ্ত। জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তিনি নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে ইতিমধ্যে অনেক অসাধারণ অর্জন সাধিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, অমর একুশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি, এশিয়ায় সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে বাংলাদেশের আর্বিভাব, মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি, সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ মডেল বিশ্বস্বীকৃতি অর্জন। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় ঈর্ষণীয় সাফল্য, মাথাপিছু গড় আয় বৃদ্ধি, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেয়া। নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্পের ৯৫ ভাগ বাস্তবায়ন। বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান ও দেশের ৯৯ ভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার মধ্যে আনা, শিক্ষার হার বৃদ্ধি, বেকারত্বের হার হ্রাস। বিশ্বে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে স্বীকৃতি আদায় করেছেন তিনি। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করায় জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছেন। স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের রাজনীতিতে বিচরণ কঠিন থেকে কঠিনতর করা হয়েছে।ইতিমধ্যে মধ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এলডিসি থেকে উত্তরণের সুপারিশ পেল বাংলাদেশ।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যেই মধ্যম আয়ের দেশ। ২০৪১ সালের আগেই তাঁর নেতৃত্বে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।
এলডিসির তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সুপারিশ করল জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য যে যোগ্যতার মাপকাঠি প্রয়োজন। তা যোগ্যতা নির্ধারণের সূচক তিনটি – মাথাপিছু আয়,মানবসম্পদ, জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা। ২০১৮ ও ২০২১ সালের মূল্যায়নে তিন সূচকেই মান অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা আজ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। তাঁর নেতৃত্বে এ এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চব্বিশ বছরের লড়াই সংগ্রামের মধ্যে তাঁর দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্রনামক বাংলাদেশের জন্ম হয়। জাতির পিতার নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে সক্ষম হন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে স্বাধীনতা বিরোধীচক্র। জাতির পিতাকে হত্যা করে দেশকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের পরিপন্থী দেশে পরিণত করে খুনিচক্ররা। জাতির পিতার রেখে যাওয়া স্বল্পোন্নত বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের দেশে পরিণত করে স্বাধীনতা বিরোধীচক্ররা। তারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশকে দীর্ঘ একুশটি বছর লুটেপুটে খায়। দেশ পরিণত হয় অবৈধ শাসক, সামরিক শাসকদের অভয়ারণ্যে। মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করা হয় অহরহ, মনে হচ্ছিল এ এক আইয়ামে জাহেলিার জুগ। সুতরাং দীর্ঘ একুশ বছরের সেই বিভীকাষিকাময় পরিস্হিতি থেকে দেশকে মুক্ত করতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে পাড়ি দিতে হয় বন্ধুর পথ। পিতা মুজিবের মতোই তাঁর কন্যাকেও দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম করে কাঙ্খিত বিজয় অর্জন করতে হয়েছে। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনদ্ধার হয়, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটে। মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাবোধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ পরিচালিত হতে থাকে জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে। বাংলাদেশ যখন বহি:বিশ্বের কাছে প্রশংসিত হচ্ছিল এবং সকল সূচকে এগিয়ে যাচ্ছিলো ঠিক তখনই আবার স্বাধীনতা বিরোধীচক্র হানা দিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতায় এসেই দেশকে আবার পাকিস্তানের ভাবধারায় ফিরিয়ে নিতে সবধরণের অপচেষ্টা করে। বহিবিশ্বের কাছে বাংলাদেশ পরিচিত লাভ করে দুর্নীতিপরায়ণ দেশ হিসেবে।

শেখ হাসিনাকে ও দেশের জনগণকে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয়

সেখান থেকে বাংলাদেশকে ফিরিয়ে আনার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ও দেশের জনগণকে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয় এবং সেই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সব বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে বাংলাদেশকে আজ উন্নয়ন ও শান্তির রোল মডেলে পরিণত করেছেন। আজকের বদলে যাওয়া বাংলাদেশ গড়ার জন্য দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে আসতে হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বগুণ আজ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। তিনি আজ বিশ্ব নেতায় পরিণত হয়েছেন। তাঁর ক্যারিশমেটিক লিডারশীপ বিশ্বকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানিক সুশাসন, বিভক্তি বিভাজন দূরীকরণ, উন্নয়নের সমবণ্টন, বেকারত্ব হ্রাস, মানুষের মৌলিক অধিকারের সুনিশ্চিতে নিরাপত্তা বলয় তৈরি অগ্রগতির অগ্রগমনের পথে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি অধিকতর সম্মানজনক অবস্হান ও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সৌহার্দ্য এবং বন্ধুত্বমূলক অবস্হানের ভিত্তিতে দৃঢ় উন্নয়ন মূলক অর্থনীতে প্রতিষ্ঠার লক্ষে শেখ হাসিনা অবিরাম গতিতে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। হেনরি কিসিনজারের দাম্ভিক উক্তি তলাবিহীন ঝুড়ি।

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট আকাশে উৎক্ষেপণ

আজ সবসূচকে এগিয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। আকাশে জলে স্থলে সব জায়গায় বাংলাদেশ সমান তালে তার সক্ষমতা দেখিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট আকাশে উৎক্ষেপণ, তার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ পুরোপুরি ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। বিজ্ঞানমনস্ক বাংলাদেশ ও তথ্যপ্রযুক্তির বাংলাদেশ।মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে বিজয় অর্জন। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো এতো বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন, বাংলাদেশের সক্ষমতার মাপকাঠি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমাদৃত।

মেট্রোরেল

মেট্রোরেল, এলিভেটর এক্সপ্রেসওয়ে, বুলেট ট্রেন, হাইটেক পার্কসহ অভূতপূর্ব সাফল্যের বয়ে আনছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন কাজ করছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। যাদের জায়গাজমি ও ঘর বাড়ি নাই। তাদেরকে সরকারি অর্থায়নে জায়গাজমিসহ ঘর বাড়ি তৈরি করে দিচ্ছে সরকার। সম্পূর্ণ বিনামূল্য কোটি কোটি বই পহেলা জানুয়ারি উৎসব করে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিয়েছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। সুবিধাঞ্চিত মানুষের জন্য হাজারো সুবিধাসংবলিত প্রোগ্রাম হাতে নিয়ে দেশের মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। একটি দেশকে উন্নত সমৃদ্ধশালী করতে ও দেশের মানুষকে ভালো রাখতে যা যা কিছু প্রয়োজন তার সবটুকুই করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আজকের বদলে যাওয়া এই বাংলাদেশের জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আকাশসম ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। পাশাপাশি তাঁকে বারবার মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবুও তিনি থেমে থাকেননি। কারণ তাঁর শরীরে জাতির পিতার রক্ত স্রোত ধারা বহমান। তিনি-ই তো জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবেন অর্থাৎ জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোনো দলকে স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি বলে প্রতিয়মান হয় না। কারণ ৭৫ পরবর্তীতে যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা অধিকাংশই বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে অপচেষ্টা করে। গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও শান্তির পরিপন্থী কাজে লিপ্ত থেকে দেশকে অপশাসন করে। ক্ষমতাকে ভোগে পরিণত করে, দেশের জনগণকে অভূক্ত রেখে নিজেদের উদুর ভরে।

একজন শেখ হাসিনা আছেন বিধায় বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর ইতিহাসে আত্মমর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। নতুন প্রজন্মের জন্য ক্ষেত্র প্রস্তুত করে যাচ্ছেন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। তিনি ২১০০ সালের ডেল্টাপ্লান অর্থাৎ ঐ সময়ে বাংলাদেশ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তাঁর জন্য তিনি বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
একজন ভিশনারী লিডার শেখ হাসিনার বদলে আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ।

বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বদলে যাওয়া আজকের বাংলাদেশকে উৎসর্গ করেছেন তরুণ প্রজন্মকে। তরুণ প্রজন্মের ডিজিটাল বাংলাদেশ। নারীর ক্ষমতায়নের বাংলাদেশ। আইনের শাসনের বাংলাদেশ, ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মধ্য দিয়ে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। মুজিবশতবর্ষ ও
স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরের এই বাংলাদেশ এখন বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অস্তিত্ব রক্ষার্থের এ এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সকল ধর্ম বর্ণের মানুষের বসবাসের শান্তিপূর্ণ দেশের আরেক নাম এখন বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।
বিতাড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে মানবিক বাংলাদেশের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছে আজকের বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশ এখন তাঁর-ই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রায় শেষের দিকে। হয়তো আর বেশিদিন দূরে নয় যেইদিন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর আট দশটা ধনী দেশের একটি। বাঙালি জাতির মর্যাদার আসন আরো বেশি শানিত হবে।
আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা হচ্ছে সততা ও দেশ প্রেমের আদর্শ। তিনি আমাদের পথপ্রদর্শক। বদলে যাওয়া বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
একজন আলোকিত মানুষ মুহাম্মদ শওকাত হোসেন
২ মাস নিষেধাজ্ঞা, জাল বুনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলেরা
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তরমুজের বাম্পার ফলন
মনপুরা দখিনা হাওয়া সি-বিচ পর্যটনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন
কামরুল আহসান চৌধুরী’র চেয়ারম্যান হওয়ার গল্প
শশীভূষনে একটি ব্রীজের অভাবে চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ।।ঝূকিপূর্ন সাঁকো পারাপাড়
আগামীকাল শুরু হতে যাচ্ছে একুশে বইমেলা-২০২১
মনপুরায় নারী দিবসে লাল সবুজ সোসাইটির ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন
তৃতীয়বারের মতো ভোলা পৌরসভার মেয়র হলেন নৌকা প্রতীকের মনিরুজ্জামান
সংসদ সদস্য পদ হারালেন কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল